1. admin@dailybartaman.com : adminraju :
  2. mdboshir64@gmail.com : MD. Boshir : MD. Boshir
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবর:
ঝড় হোক আর বৃষ্টি থেমে নেই আমাদের কাজ গাজীপুরে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা রউফের বিরুদ্ধে গভীর রাতে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ যশোরে সাড়ে ১১ কিলোমিটার সড়ক উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী অমিত দর্শনা জয়নগরের আ.লীগের দোসর হুন্ডি ব্যবসায়ি জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ পত্রিকার সম্পাদকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা মামলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক ভর্তি ট্রাকসহ ২ জন আটক  ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ২৮ জুন রংপুরে হত্যা মামলায় আ’লীগ নেতা গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির সম্ভাবনা: তেলের দাম ৮০ ডলারের নিচে  আইসিটি বিভাগের আরএডিপিতে অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা  পিআইবির আয়োজনে চুয়াডাঙ্গায় তিন দিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ শুরু 
বিশেষ বুলেটিন :
Welcome To Our Website...

‘আওয়ামী ট্যাগ’ ব্যবহার করে হামলা-লুটপাট- অগ্নিসংযোগ : আজও বিচার পায়নি রেমিটেন্স যোদ্ধা সি আই পি এম এ রহিম

রিপোর্টার
  • সময়: বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪৮৬ সময়

যুক্তরাজ্য প্রবাসী ১১ বারের সিআইপি ও টাওয়ার হ্যামলেটসের সাবেক কাউন্সিলর, বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা, শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক রহিমের বিরুদ্ধে ‘আওয়ামী ট্যাগ ‘ব্যবহার করে গত ৫ই আগস্ট, ২০২৪ তার মৌলভীবাজারের বাসভবনে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে দশ কোটি টাকার ১০ কোটি টাকার অধিক ক্ষতি সম্পত্তির সাধন করলেও আজ পর্যন্ত প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় তিনি ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

অভিযোগে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন ৫ ই আগস্ট ২০২৪ বিকেল ৩: ৩০ মিনিট থেকে ১১ : ৩০ মিনিট পর্যন্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে স্থানীয় মোঃ জাহাঙ্গীর, পিতা মৃত আব্দুর রহিম এর নেতৃত্বে দুই শতাধিক দুষ্কৃতিকারী মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ঢাকা-সিলেট রোডের বেরিপার এলাকায় বিলাসবহুল ‘ এম এ রহিম রহিম সিআইপি ভবনে ‘ হামলা, লুটপাট ও অগ্নি সংযোগ করে ১০ কোটি টাকার বেশি সম্পত্তির ক্ষতি করেন।

লুটকৃত জিনিসপত্রের মধ্যে রয়েছে ৭২ লক্ষ ক্যাশ টাকা, ৭০ -৮০ ভরি স্বর্ণালংকার, তিনটি আইফোন, একটি রোলেক্স ও রাডো ঘড়ি, ঘরের সকল এসি, সকল ফার্নিচার এবং তার লাইসেন্সকৃত একটি রিভলবার এবং তার ভাই মুজিবুর রহমানের একটি বিদেশী পিস্তল সহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র এবং বাড়িটি সম্পূর্ণ জ্বালিয়ে দেয়া হয়। ঘটনার দিন তার একটি দামি পাজেরো গাড়িও পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনার সময় এম এ রহিম সুইমিং পুলের পানির ট্যাংকিতে পালিয়ে থাকার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত জীবন হানির আশঙ্কায় চার তলা থেকে লাফ দিয়ে পড়েন এবং মারাত্মকভাবে আহত হন। তিনি এখনো লন্ডনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনার সময় থানায় কোন পুলিশ না থাকায় এমএ রহিম সিআইপি কোন অভিযোগ অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি। পরবর্তীতে তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে ভিডিও ফুটেজসহ ১৫ ই আগস্ট ২০২৪ লিখিত অভিযোগ জানান এবং জেলা প্রশাসন থেকে পুলিশ সুপারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হলেও অদ্যবতী কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি । তাছাড়া, একটি রিভলবার এবং পিস্তল লুটের ঘটনায় ৮ ই আগস্ট, ২০২৪ জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে জানালেও অধ্যবধি রিভল্ভার এবং পিস্তল উদ্ধার করেননি পুলিশ।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে গত ২১ শে আগস্ট,২০২৪ স্মারক নং ০৫.৪৬.৫৮০০.০০০.০৩১.১৬.০০৩২.২০-১০২৭ মূলে মৌলভীবাজার পুলিশ সুপারকে পত্র প্রেরণ করা হলেও অদ্যবধি রিভলবার এবং পিস্তল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

মৌলভীবাজারে তার অনেক সম্পত্তি এখনো নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা-সিলেট রোডের সপ্তম তলা এম আর টাওয়ার -২ শপিং কমপ্লেক্স, এম আর টাওয়ার -১ ( সবুজবাগ) এবং ঢাকা সিলেট রোডের কুসুমবাগ এলাকায় নির্মাণাধীন এম আর প্লাজা । বিভিন্ন অজুহাতে এসব স্থাপনার উপর উপর হামলা হতে পারে বলে এম এ রহিম আশঙ্কা করছেন।

তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, হামলা ও লুটপাটের ব্যাপারে এম এ রহিম সিআইপি বলেন, আমি যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাথে দীর্ঘদিন আগে জড়িত থাকলেও ২০১৬ সালে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নমিনেশন না পাওয়ায় এবং পরবর্তীতে সংসদ সদস্য হিসেবে আমাকে নমিনেশন না দেওয়ায় আমি আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম থেকে বিরত ছিলাম। তাছাড়া, আমি জেলা পরিষদের নির্বাচনে দুইবার আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছি।

তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে আমি আওয়ামী লীগের কার্যক্রম এ অংশগ্রহণ করেছি এরকম কোন তথ্য- প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না।

তিনি অভিযোগ করেন পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে স্থানীয় একটি কুচক্রী মহল এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আমি প্রকৃত দোষীদের বিচার চাই।

তিনি বলেন ঘটনার ভিডিও ফুটেজ যেহেতু আছে, সেহেতু দোষীদের সনাক্ত করা তেমন কঠিন কাজ না কিন্তু সেক্ষেত্রে প্রশাসনের সদ ইচ্ছা থাকতে হবে।

সিইপি এম এ রহিম প্রশ্ন রেখে বলেন, আমার মত ১১ বারের একজন সিআইপির যদি এই অবস্থা হয় তাহলে প্রবাসীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে কেন। তিনি দেশে প্রবাসীদের সম্পত্তি রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।

জানা যায়, এম এ রহিম গত ৪৩ বছর যাবত লন্ডনে বসবাস করছেন। তিনি লন্ডন এবং বাংলাদেশে ব্যবসার পাশাপাশি শিক্ষানুরাগী হিসেবে গড়ে তুলেছেন বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যার মধ্যে রয়েছে আলহাজ্ব মো : মোখলেসুর রহমান ডিগ্রী কলেজ, করফুলনেসা এতিমখানা, হাফেজিয়া মাদ্রাসা এবং ইউসুফ নগর জামে মসজিদ।

লন্ডনে একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও উদ্যোক্তা সিআইপি এম এ রহিম। ১৯৯০ সালে লন্ডনে প্রতিষ্ঠিত টাওয়ার হ্যামলেটস কলেজের প্রতিষ্ঠাতা গভর্নর এবং লন্ডন ভিক্টোরিয়া কলেজ এবং ভিডব্লিউসিসি আইসিটি কলেজ এবং ভিক্টোরিয়া ল এসোসিয়েট এর প্রতিষ্ঠাতা তিনি।

জনাব এম এ রহিম সিআইপি বাংলাদেশে রেমিটেন্স প্রেরণ করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। এখন পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১১ বার সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেনএবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এ অর্থবছরের জন্যও তার নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।

লন্ডনের বাংলাদেশী কমিউনিটিতে অত্যন্ত জনপ্রিয় এম এ রহিম ১৯৯০ সালে প্রথম টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলর নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে বেথনাল গ্রীন নেইবারহুডের চেয়ারম্যান এবং ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত এডুকেশন কমিটির লিভ মেম্বার ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 www.dailybartaman.com  Design & Developed by: ITRaj
Theme Customization By NewsSun